দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের ওপর সামরিক হামলা চালানোর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির কাছে বাণিজ্যিক জাহাজে ধারাবাহিক হামলার জবাবে দেশটির তেল বিক্রির ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগ প্রথমে ৬০ দিনের জন্য ইরানের তেল বিক্রির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে সম্মত হয়েছিল। সে সময় অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এ সিদ্ধান্তকে দুই দেশের মধ্যে ‘গঠনমূলক আলোচনা’ নিয়ে আস্থার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।
তবে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতিকে ‘শেষ’ বলে ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, শান্তি আলোচনা অব্যাহত থাকতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৯ সালে ইরানি বিপ্লবের পর তেহরানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস দখলের ঘটনার পর থেকেই ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ শুরু করে ওয়াশিংটন।
মার্কিন কংগ্রেসের গবেষণা বিভাগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সরকারের বৈরী আচরণ প্রতিহত, নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবর্তনে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যেই এসব নিষেধাজ্ঞা ব্যবহার করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থা কার্যকর করেছে, তা বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় সবচেয়ে বিস্তৃত ও কঠোর নিষেধাজ্ঞাগুলোর একটি।
এসব আর্থিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব ধরনের বাণিজ্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ইরান সরকারের সম্পদ জব্দ, বৈদেশিক সহায়তা বন্ধ এবং অস্ত্র বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তবে ২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগের বৈদেশিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ কার্যালয় জানায়, ইরানে খাদ্য, ওষুধ এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম বিক্রির অনুমতি রয়েছে।
এ ছাড়া কংগ্রেসের গবেষণা বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের জনগণ যাতে দেশটির সরকারের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার প্রচেষ্টা এড়িয়ে যোগাযোগ বজায় রাখতে পারেন, সে জন্য তাদের টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম সরবরাহেরও অনুমতি রয়েছে।
সূত্র: সিএনএন
/অ